আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সড়ক, রেল ও নৌপথে নির্বিঘ্ন যাত্রীসেবার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শেখ রবিউল আলম। তাঁর দাবি, এবার ঈদযাত্রা হবে অন্য সময়ের তুলনায় আরও স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-এর নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ঢাকা–সিলেট ও ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট এড়াতে আগাম পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নদীপথে পণ্য খালাস বিলম্ব করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগেও কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীর নির্দেশে যেসব কোম্পানি পণ্য দীর্ঘদিন জাহাজে ভাসমান রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোকসানা খায়রুন নেসা জানান, ইতোমধ্যে কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
ডেপুটি নটিক্যাল সার্ভেয়ার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ডিকসন চৌধুরী বলেন, মাদার ভেসেল থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত লাইটার জাহাজ ৬ থেকে ১৮ দিন পর্যন্ত নোঙর করে রাখা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে গুদাম সংকট থাকলেও, অসৎ উদ্দেশ্যে পণ্য আটকে রেখে পরে বেশি দামে বাজারজাত করার প্রবণতাও রয়েছে।
গত দেড় মাসে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও যশোরসহ বিভিন্ন এলাকায় ৮৩৮টি জাহাজে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানায় অধিদপ্তর।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

