মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেন শুরু হতেই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ে, ফলে সূচকে বড় পতন নেমে আসে।
রোববার (১ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ লেনদেন শুরুর পরপরই প্রধান সূচক সর্বোচ্চ ২৩৫ পয়েন্ট পর্যন্ত নেমে যায়। পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকে।
দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে। অপরদিকে দর বেড়েছে ২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির। এ সময় প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ১৪০ পয়েন্ট পর্যন্ত নিম্নমুখী অবস্থানে ছিল।
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-এর সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, তালিকাভুক্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা নেই। থাকলেও তা নগণ্য। তাই অতিরিক্ত আতঙ্কের কারণ নেই বলে তিনি মত দেন।
বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব সাময়িক। পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে বাজার দ্রুত স্বাভাবিক ধারায় ফিরবে। অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারীও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, শিগগিরই লেনদেনে স্থিতি ফিরবে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেই পুঁজিবাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তবে বাস্তব অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত থাকলে বাজার সাধারণত দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়।

