ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত নারায়ণগঞ্জ জেলার আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ের উপপরিচালক শামীমকে ঘিরে সম্প্রতি একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে কার্যালয়ের পরিচালক সাইফুল ইসলামের নামও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কার্যালয়টিতে একটি সক্রিয় দালালচক্র কাজ করছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করলে আবেদনকারীরা তুলনামূলক দ্রুত পাসপোর্ট পেয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আবেদনপত্র স্থগিত রাখা, যাচাই প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা এবং নানা অজুহাতে ভোগান্তিতে রাখার ঘটনা ঘটছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, কার্যালয়ের বাইরে অবস্থানকারী কিছু ব্যক্তি নিয়মিতভাবে দালালের ভূমিকা পালন করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অর্থের বিনিময়ে আবেদন গ্রহণ, নথি দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই পাসপোর্ট সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।
সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা ঘুষ দাবি বা গ্রহণ করতে পারেন না। তবে উপপরিচালক শামীম ও পরিচালক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। একটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার তত্ত্বাবধানে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানা গেছে।
অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এসব অনিয়মের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

