২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির মধ্যেই কাইলিয়ান এমবাপ্পেকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। ফ্রান্স শিবিরের আশঙ্কা—দলের অধিনায়ক ও প্রধান ভরসা টুর্নামেন্টের আগে পুরোপুরি ফিট নাও থাকতে পারেন।
রিয়াল মাদ্রিদ তারকা গত ডিসেম্বর থেকে বাঁ হাঁটুর লিগামেন্টে প্রদাহজনিত সমস্যায় ভুগছেন বলে ইউরোপীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গত কয়েক সপ্তাহে তিনি সীমিতভাবে খেলেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু ম্যাচ মিস করেছেন—সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বেনফিকার বিপক্ষেও ছিলেন অনুপস্থিত।
ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক লা`ইকুইপ জানিয়েছে, অস্ত্রোপচার এড়াতে ও চোট না বাড়াতে দ্রুতগতির পুনর্বাসন কর্মসূচিতে নেওয়া হয়েছে এমবাপ্পেকে। লা লিগার অন্তত তিনটি ম্যাচে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে; এই সময়ে মেডিকেল টিম হাঁটুর অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
আঁতোয়ান গ্রিজম্যান অবসরের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব এখন এমবাপ্পের কাঁধে। গতি, দিক পরিবর্তন ও ফিনিশিং—এই তিন শক্তিতেই ‘লে ব্লু’দের কৌশল দাঁড়িয়ে। তার অর্ধফিট অবস্থা দলীয় ভারসাম্য ও মানসিক দৃঢ়তায় প্রভাব ফেলতে পারে।
গ্রুপপর্বে ফ্রান্সের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে নরওয়ে ও সেনেগালের নাম ঘুরছে; প্লে-অফ থেকে বলিভিয়া, ইরাক বা সুরিনাম আসতে পারে। পূর্ণ ফিট এমবাপ্পে না থাকলে এই সমীকরণ কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
রিয়াল মাদ্রিদ এখনও চোটের প্রকৃতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে অনুশীলন সেশন মিস করা ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অনুপস্থিতি—দুই শিবিরেই সতর্কতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আগামী কয়েক সপ্তাহেই স্পষ্ট হবে—এটি সাময়িক অস্বস্তি, নাকি বড় সংকটের পূর্বাভাস। বিশ্বমঞ্চের আগে ফ্রান্স ও রিয়াল—দু’পক্ষই চাইছে, তাদের সেরা তারকা শতভাগ ফিট হয়ে ফিরুন।

