শরীয়তপুর সদর উপজেলার খাদ্যবান্ধব কর্মসুচীর ১০টাকা কেজির ৪০০ বস্তা চাল কালো বাজারে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে আংগারিয়া খাদ্য গুদাম থেকে জাজিরা নেয়ার পথে শরীয়তপুর শহরের চন্দ্রা হোটেলের সামনে আটক করেছে স্থানীয়রা । আজ সোমবার সকালে ঢাকা – শরীয়তপুর মহা সড়কের চন্দ্র হোটেলের সামেনে এ চাউল বোঝাই ট্রাক আটক করেছে স্থানীয়রা। দিন ভর চাউলের ট্রাক সেখানে থাকলে খাদ্য কর্তপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের কেউ এ চাউল জব্দ করতে আসেনি। তাদের মধ্যে দেখা গেছে গা ছাড়া ভাব।আটককৃত ট্রাক যার নং বরিশাল ট- ১১-০১৮৩ )।
আটককৃত ট্রাক চালক বোরহান উদ্দিন ও ডিওলেটার সুত্রে জানা যায় , এ চাল সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের ঠিকাদার মানিক মাহমুদের। চাউল শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া খাদ্য গুদাম থেকে রুদ্রকর বাজারে নেওয়ার কথা। সেখানে না নিয়ে ঢাকা শরীয়তপুর মহা সড়ক দিয়ে জাজিরার কোন ব্যবসায়ীর কাছে কালোবাজারে বিক্রি করার কারনে উল্টো পথে এ চাল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা সন্দেহ জনক ভাবে আটক করে। সকালে চাউল আটক করলেও ঠিকাদার মানিক মাহমুদ ও সরকারী লোকজন কেউ চাউল উদ্ধার করতে আসেনি। পরে সন্দেহ ভাজন হিসেবে ড্রাইভার বোরহান উদ্দিন কে জিজ্ঞাসা করলে সে উল্টা পাল্টা জবাব দেয়। বর্তমানে চাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার লোকজনের তত্তাবধায়নে রয়েছে।সরকারী হিসেব অনুযায়ী চালের মূল্য ৩ লক্ষ ২০ হাজার ৯৭০ টাকা।
ট্রাকের চালক বোরহান উদ্দিন বলেন , আমাকে আংগারিয়া খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন ভাড়া করে নিয়ে এসেছে । আমি এর বাইরে কিছু জানিনা।
ঠিকাদার মানিক মাহমুদ ও খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন কে ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন , ডিও লেটার দিয়ে চাউল বের করার পর সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। তবে যার নামে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে তাকে আমরা ফোনে পাচ্ছি না।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন বলেন, চাউল আটকের বিষয়টি শুনেছি । বিষয়টি ডিসি ফুডের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন , ডিও লেটার আছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আমি সু স্পষ্ট কিছু জানি না।পালং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বলেন, ডিস্ট্রিক্ট ফুড অফিসার আমাকে ফোন করে বলেন আমাদের একটা চাউলের ট্রাক সাংবাদিকরা আটক করেছে ট্র্যাকটি আপনাদের হেফাজতে রাখেন।ওই চাউলের কাগজপত্র আমার লোক দিয়ে থানায় পাঠাচ্ছি বিষয়টি আপনি ভালোভাবে দেখেন।চাউলের ট্রাক সারাদিন যেখানে ছিল সেখানেই আছে।আমরা কোন জব্দ করিনি।

